Class 5 All Guide Books (৫ম শ্রেণির সকল বিষয়ের গাইড বই) 2026 PDF

Admin
Join Telegram for New Books

(toc)

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির সকল বিষয়ের ২০২৬ সালের নতুন গাইড বই পিডিএফ

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, Abswer.com-এ আপনাদের স্বাগতম! পঞ্চম শ্রেণি প্রাথমিক শিক্ষার সমাপনী পর্যায়, তাই এই সময়টি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী পড়াশোনার মানোন্নয়ন এবং প্রস্তুতিকে আরও সহজ করতে প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা ও মানসম্মত সহায়ক বই। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমরা এক পেজে ৫ম শ্রেণির সকল বিষয়ের গাইড বইয়ের পিডিএফ সংস্করণ নিয়ে এসেছি।

এখানে আপনারা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষাসহ সকল বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও নোট পাবেন। বাজারের বিশাল বইয়ের ভিড়ে হারিয়ে না গিয়ে, আমাদের ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই আপনার প্রয়োজনীয় গাইডটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Class 5 All Guide Books (৫ম শ্রেণির সকল বিষয়ের গাইড বই) 2026 PDF
 

Primary Class Five All New 2026 Guidebooks Pdf (স্কুলের ৫ম শ্রেণির ২০২৬ সালের সকল বিষয়ের নতুন গাইডবই পিডিএফ)

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সকল বিষয়ের গাইড নিচে তালিকাভুক্ত করা হলো:

 
প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫ম শ্রেণির গাইড বইয়ের নাম পিডিএফ
আমার বাংলা বই গাইড (Bangla Guide)
ইংরেজি গাইড ও গ্রামার (English Guide & Grammar)
প্রাথমিক গণিত গাইড (Math Guide)
প্রাথমিক বিজ্ঞান গাইড (Science Guide)
প্রাথমিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় গাইড (BGS Guide)
ইসলাম শিক্ষা গাইড (Islamic Studies Guide)
হিন্দুধর্ম শিক্ষা গাইড (Hindu Studies Guide)
খ্রিষ্টানধর্ম শিক্ষা গাইড (Christian Dhorma Shikkha Guide)
বৌদ্ধধর্ম শিক্ষা গাইড (Buddha Dhorma Shikkha Guide)
        

Ebtedaye Class Five All New 2026 Guidebooks Pdf (মাদ্রাসার ৫ম শ্রেণির সকল বিষয়ের ২০২৬ সালের নতুন গাইডবই পিডিএফ)

ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত বিষয়সমূহের গাইড নিচে দেওয়া হলো:

     
ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ৫ম শ্রেণির গাইড বইয়ের নাম পিডিএফ
কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ গাইড (Quran Majid & Tajbid Guide)
আকাইদ ও ফিকহ গাইড (Akaid & Fiqh Guide)
আদদুরূসুল আরাবিয়্যাহ গাইড (Addurusul Arabiyah Guide)
কাওয়াইদ আল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ গাইড (Qawaid Al Lugatil Arabiyah Guide)
আমার বাংলা বই গাইড (Bangla Guide)
ইংরেজি গাইড ও গ্রামার (English Guide & Grammar)
গণিত গাইড (Math Guide)
বিজ্ঞান গাইড (Science Guide)
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় গাইড (BGS Guide)

মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৬ অনুযায়ী শিক্ষার্থী মূল্যায়ন প্রক্রিয়া

প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৬ অনুযায়ী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে তিনটি প্রান্তিকে। প্রতি প্রান্তিকে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এ অগ্রগতি নিরূপণ করা হবে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের কাজটি শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন সম্পন্ন হবে। আর সামষ্টিক মূল্যায়ন প্রতি প্রান্তিকে একবার আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে।


ক. ধারাবাহিক মূল্যায়ন: ৩০ নম্বর

ধারাবাহিক মূল্যায়নের ৪টি অংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো- ক.১ পাঠ্যপুস্তকের কাজ সম্পন্ন করা, ক.২ শ্রেণিকাজে সক্রিয়তা, ক.৩ বিষয়বস্তুর বোধগম্যতা ও ক.৪ ক্লাস টেস্ট।

ক.১ পাঠ্যপুস্তকের কাজ সম্পন্ন করা (১০ নম্বর)

  • শিক্ষক পাঠ্যপুস্তকে প্রদত্ত কাজগুলো শিক্ষাথীদের দ্বারা পাঠ্যপুস্তকেই নিয়মিতভাবে সম্পন্ন করাবেন, পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনে ফলাবর্তন প্রদান করে স্বাক্ষর প্রদান করবেন।
  • যে সকল কাজের জন্য অনুশীলন খাতা প্রয়োজন সেগুলো অনুশীলন খাতায় সম্পন্ন করাবেন এবং অনুশীলন খাতা যাচাই করে ফলাবর্তন দেবেন।
  • অনুপস্থিতি ও অন্য কোনো কারণে কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেলে শিক্ষক সুবিধাজনক সময়ে সেগুলো প্রান্তিক মূল্যায়নের পূর্বে সম্পন্ন করিয়ে নেবেন।
  • শিক্ষক প্রান্তিক মূল্যায়নের পূর্বে কোনো একটি সময়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকগুলো সংগ্রহ করবেন এবং পাঠ্যপুস্তকের কাজের মান যাচাই করে নম্বর প্রদান করবেন।

ক.২ শ্রেণিকাজে সক্রিয়তা (৫ নম্বর)

  • শিক্ষার্থী পাঠ চলাকালে পাঠসংশ্লিষ্ট আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, দলগত কাজ, জোড়ায় কাজ, একক কাজ ইত্যাদিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
  • শিক্ষকের নির্দেশনায় পাঠ্যপুস্তকে প্রদত্ত কাজ, বাড়ির কাজ, অনুশীলন নিয়মিত সম্পাদন করে।
  • পাঠের সময় সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করে এবং উত্তর প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করে।
  • সকলের সাথে মিলেমিশে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। সহপাঠীদের সহযোগিতা করে।
  • শ্রেণিকক্ষের উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় শিখনসামগ্রী যেমন- বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, অঙ্কনসামগ্রী নিয়মিত নিয়ে আসে।

ক.৩ বিষয়বস্তুর বোধগম্যতা (৫ নম্বর)

শ্রেণিতে শিখন-শেখানো কার্যক্রম চলাকালে বিষয়বস্তুর বোধগম্যতার মূল্যায়ন করবেন, এজন্য আলাদা কোনো কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজন নেই। মূল্যায়নের সময় নিম্নবর্ণিত সূচকসমূহ বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করবেন:

  • মূল ধারণা সঠিকভাবে বলতে পারা: পাঠের সাথে সংশ্লিষ্ট মূল বিষয়, শব্দ, ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনার নাম ঠিকভাবে বলতে পারে। যেমন: জাতীয় প্রতীক, নদী, জেলা, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি।
  • নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারা: শেখা তথ্য নিজের ভাষায় সংক্ষেপে ব্যাখ্যা বা বর্ণনা করতে পারে। যেমন: কেন স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।
  • তুলনা, মিলকরণ ও পার্থক্য করতে পারা: দুটি বিষয়, স্থান, ব্যক্তি বা সময়ের মধ্যে পার্থক্য বা মিল করতে পারে। যেমন: গ্রাম ও শহরের জীবনযাপন।
  • উদাহরণ দিতে পারা: শেখা বিষয় থেকে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ দিতে পারে। যেমন: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ।
  • জ্ঞান প্রয়োগ করতে পারা: শেখা তথ্য নিজের জীবন, সমাজ বা পরিবেশে প্রয়োগ করতে পারে। যেমন: দেশপ্রেম, নাগরিক দায়িত্ব বা পরিবেশ রক্ষা।

ক.৪ ক্লাস টেস্ট (১০ নম্বর)

লিখিত, মৌখিক বা ব্যবহারিক কাজের সমন্বয়ে এক বা একাধিক অধ্যায় শেষে ক্লাস টেস্ট নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষক প্রতি প্রান্তিকে ন্যূনতম দুটি ক্লাস টেস্ট নেবেন এবং মূল্যায়নের গড় নম্বর প্রদান করবেন। উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে বিষয়শিক্ষক প্রমাণক সংরক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফলাবর্তন দেবেন।


খ. সামষ্টিক মূল্যায়ন: ৭০ নম্বর

সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য ৭০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে। বছরে ৩টি সামষ্টিক মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে: প্রথম প্রান্তিক, দ্বিতীয় প্রান্তিক ও তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন।

খ.১ লিখিত পরীক্ষা (৭০ নম্বর)

  • বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনার আলোকে প্রতি প্রান্তিকের নির্ধারিত অংশ থেকে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।
  • সামষ্টিক মূল্যায়নে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতা যাচাইয়ের প্রশ্নের সমন্বয় থাকতে হবে।
  • সমস্যা সমাধানমূলক (বিস্তৃত উত্তর) প্রশ্ন কাঠামোবদ্ধ করতে হবে। একটি সমস্যামূলক প্রশ্নের ২/৩ টি অংশ থাকতে পারে।
  • শিক্ষক যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারবেন।

শিখন অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি

  • প্রতি প্রান্তিকে প্রতি বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক এবং সামষ্টিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বরের সমষ্টি করে প্রতিবেদন প্রদান করতে হবে।
  • ৩য় প্রান্তিক শেষে তিন প্রান্তিকের বিষয়ভিত্তিক গড় নম্বর এবং গ্রেড প্রদান করতে হবে।
  • চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুতের জন্য তিন প্রান্তিকের প্রাপ্ত নম্বরের সমষ্টিকে সর্বমোট নম্বর সাপেক্ষে শতকরায় রূপান্তর করে সমন্বিত গ্রেড প্রদান করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ:
একজন শিক্ষার্থী ১ম প্রান্তিকে ৪৪০, ২য় প্রান্তিকে ৪৬০ এবং ৩য় প্রান্তিকে ৪৩২ নম্বর পেয়েছে (সর্বমোট ৬০০ নম্বরের মধ্যে)।
তিন প্রার্থীর শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত মোট নম্বরের গড়, (৪৮০ + ৪৬০ + ৪৯২) ÷ ৩ = ৪৮৮
শতকরা গড় নম্বর, প্রাপ্ত মোট নম্বরের গড় সর্বমোট নম্বর × ১০০
= ৪৮৮ ৫০০ × ১০০
= ৯৮
অতএব ৯৮%
সুতরাং, তার সর্বমোট গ্রেড B (উত্তম)

প্রাপ্ত নম্বর গ্রেড শিখন অর্জন
৮০%-১০০% A অতি উত্তম
৬০%-৭৯% B উত্তম
৪০%-৫৯% C সন্তোষজনক
০%-৩৯% D সহায়তা প্রয়োজন

উপসংহার (Conclusion)

আশা করি, Abswer.com-এর এই 'অল ইন ওয়ান' গাইড পেজটি পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে কাজ করবে। সকল বিষয়ের পিডিএফ হাতের কাছে থাকলে পড়াশোনা অনেক সহজ ও গোছালো হয়ে যায়। নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং নতুন নতুন আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। শুভকামনা রইল!

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. এই এক পেজ থেকেই কি সব বিষয়ের গাইড পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, এখানে দেওয়া প্রতিটি লিংকে ক্লিক করলেই আপনি নির্দিষ্ট বিষয়ের গাইড ডাউনলোড করার পেজে চলে যাবেন।

২. এই পিডিএফগুলো কি ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী?
অবশ্যই। এখানে তালিকাভুক্ত সকল গাইড জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) কর্তৃক প্রণীত ২০২৬ সালের সর্বশেষ সিলেবাস অনুসরণ করে তৈরি।

৩. ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে কি টাকা লাগবে?
না, Abswer.com সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের জন্য এই সেবা প্রদান করে থাকে।

৪. ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কি আলাদা গাইড আছে?
হ্যাঁ, আমরা সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বিশেষ বিষয়গুলোর (যেমন- কুরআন, আকাইদ, আরবি) জন্যও আলাদা তালিকা ও লিংক প্রদান করেছি।

Abswer.com এর সাথেই থাকুন এবং এই পোস্টটি আপনার সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সাহায্য করুন। ধন্যবাদ!


#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Out
Ok, Go it!
Join