الانشاء : النظافة اوالطهارة | রচনা : পরিচ্ছন্নতা.বা পবিত্রতা| Alim Arabic 2nd Paper - আলিম আরবি দ্বিতীয় পত্র | Class Alim (الصف العالم)

الانشاء : النظافة اوالطهارة   |  রচনা : পরিচ্ছন্নতা.বা পবিত্রতা| Alim Arabic 2nd Paper - আলিম আরবি দ্বিতীয় পত্র | Class Alim (الصف العالم)
(toc)

 النظافة اوالطهارة 

 الْمُقَدَّمَةُ :

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِى طَهَّرَ قُلُوبَنَا بِنِعْمَةِ الْإِيْمَانِ، وَالصَّلوة وَالسَّلامُ عَلى النَّبى الَّذِئ زَكَانَا مِنْ دَنَسِ الْكُفْرِ وَعِبَادَةُ الْأَوْثَانِ وَعَلَى الِهِ وَأَصْحَابِهِ الطَّيِّبِينَ الطَّاهِرِينَ - 

معنى النظافة :

النظافة لُغَةُ الطَّهَارَةِ وَالتَّنْقِيَةِ، وَفِي الْإِصْطِلاح . النظافة طَهَارَةُ الْإِنْسَانِ جِسْمَهُ وَكُلَّ شَيْءٍ مُسْتَعْمَل مِنَ الدَّنَسِ والوسخ وَصِيَانَةٌ قَلْبَهُ عَمَّا يُدَنِّسَهُ مِنَ الشَّبَهَاتِ وَالْمُحَرَّمَاتِ والتفكيرات الباطلة - 

 أَقْسَامُ النظافة :

النظافة لَهَا قِسْمَانِ، وَهُمَا :
١- النظافةُ الْبَاطِنَةُ : هى طَهَارَةُ القُلوبِ مِنَ الشَّرك والكفر والنفاق وَالشَّبَهَاتِ الْبَاطِلَةِ وَالتَّفْكِيْرَاتِ الْهَدَامَةِ وَالْوَسَاوِسِ الشَّيْطَانية - 
٢- النَّظَافَةُ الظَّاهِرَةُ : هِيَ النظافة الْاَبْدَانِ مِنَ النَّجَاسَةِ وَالْأَرْسَاحَ، وَذَلِكَ شَرْطَ لِأَدَاءِ أَحْكَامِ الشَّرْيْعَةِ -

أهْمِيَّةُ النظافة :

لِلنظَافَةِ أَهْمِيةٌ كبيرةٌ فِي حَيَاةِ الْإِنْسَانِ، وَهُوَ جُزْةٌ مِنْ أجزاء الْإِيمَانِ، نَظراً إلى أَهْمِيتِهَا الْعَظِيمَةِ أَمَنَ اللَّهُ نَبِيَّه الله  ﷺ بالطَّهارة فِى بِدَايَةِ نُزُولِ الْوَحْي حَيْثُ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: "وَثِيَابَكَ فَطَهِّرُ وَجَعَل النَّبِيُّ ﷺ الطَّهَارَة شَطْرُ الْإِيْمَانِ، كَمَا يَقُولُ ﷺ الطَّهَارَةٌ شَطْرُ الْإِيْمَانَ" - 

ضرُورَةُ النظافة :

إِنَّ الْإِسْلَامَ أمْرُ الْإِنْسَانَ بِطَهَارَةِ أَعْضَاءِ الْجَسَدِ والمأكولات والمشروبات والملابس والمَنَازِلِ وَالْمَسَاكِينِ وَالشَّوَارع جعل الله الرةَ فَرْضًا مِنْ فَرائِضِ الصَّلوة والطُّوافِ وتلاوة القرآن وَغَيْرُهَا مِنَ الْعِبَادَاتِ -

فَضْلُ النظافة :

الطَّهَارَةُ وَالنَّظَافَةُ لَهَا فَضْلَّ كَبير. قَالَ اللهُ تَعَالَى : انَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوابِيْنَ ويحب المتطَهِّرِينَ، وَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : "إِنَّ امتَّى يَدْعُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ غُرأَ مُحَجَلِينَ مِنْ آثَارِ الْوَضُوءِ فَمَنْ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يَطِيْلَ غَرَّتَهُ فَلْيَفْعَل" - 

الْخَاتِمَةُ :

عَلَيْنَا أَنْ نَنْظِفَ الظَّاهِرَ وَالْبَاطِنَ لِننْجُو مِنَ الْأَمْراضِ الْجسْمَانِيَّةِ وَالنَّفْسَانِيَّةِ وَنَفْلَحُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ -


পরিচ্ছন্নতা/পবিত্রতা

উপস্থাপনা :

সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য, যিনি ঈমানের অনুগ্রহের মাধ্যমে আমাদের অন্তরকে পবিত্র করেছেন। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী কারীম (স)-এর প্রতি, যিনি আমাদেরকে কুফরের অপবিত্রতা ও প্রতিমা পূজা থেকে পবিত্র করেছেন। আর তাঁর পবিত্রতম পরিবার, পরিজন ও সাহবীগণের প্রতি।

النظافة -এর অর্থ :

النظافة শব্দের আভিধানিক অর্থ- পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা। আর পরিভাষায়- نظافة হলো, মানুষের শরীর এবং প্রতিটি ব্যবহৃত বস্তুকে অপবিত্রতা ও কদর্যতা থেকে পবিত্র করা এবং অন্তরকে অপবিত্রকারী বিষয় যেমন- সন্দেহ, হারাম বিষয়সমূহ ও ভ্রান্ত চিন্তাধারা থেকে রক্ষা করা।

পরিচ্ছন্নতার প্রকার: 

পরিচ্ছন্নতা দু'প্রকার। যথা-
১. অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতা : অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতা হচ্ছে, শিরক, কুফর, নেফাক, ভ্রান্ত সংশয় এবং ধ্বংসাত্মক চিন্তাধারা ও শয়তানী কুমন্ত্রণা থেকে অন্তরকে পবিত্র করা।
২. বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতা:  এটা হলো শরীরকে অপবিত্রতা ও ময়লা থেকে পবিত্র করা। আর এটা শরীয়তের বিধিবিধান পালনের জন্য শর্ত।

পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব:  

মানবজীবনে পরিচ্ছন্নতার বিরাট গুরুত্ব রয়েছে। এটা ঈমানের অংশসমূহের একটি অংশ। পবিত্রতার গুরুত্বের প্রতি লক্ষ রেখে আল্লাহ তায়ালা অহী অবতরণের প্রারম্ভিক পর্যায়ে নবী কারীম (স)-কে পবিত্রতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর আপনার কাপড় পবিত্র রাখুন"। নবী কারীম (স) পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অংশ বলে আখ্যায়িত করেছেন, যেমন তিনি বলেন, "পবিত্রতা ঈমানের অংশ"।

পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা :

ইসলাম মানবজাতিকে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, খাদ্য, পানীয়, পোশাক পরিচ্ছেদ, বাড়ি ঘর, রাস্তা ঘাট ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্রতাকে সালাত, তাওয়াফ ও কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদতে ফরয হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

পরিচ্ছন্নতার ফযিলত:  

পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার অনেক ফযিলত রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন পবিত্রতা অর্জনকারীদের”। রাসুলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের অযুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো কলমল অবস্থায় ডাকা হবে। সুতরাং যার ঝলমলতাকে সে দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম, সে যেন এমনটি করে।

উপসংহার:

আমাদের উচিত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে পবিত্রতা অর্জন করা। তাহলে আমরা শারীরিক ও মানসিক রোগবালাই থেকে মুক্ত থাকব এবং ইহ ও পরকালীন সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হব।


#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !