অনুচ্ছেদ : বাংলা ২য় পত্র - নবম ও দশম শ্রেণি, এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা (৩য় পর্ব)

অনুচ্ছেদ : বাংলা ২য় পত্র - নবম ও দশম শ্রেণি, এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা (৩য় পর্ব)

(toc)


বাক্য মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম। কিন্তু সব সময় একটি বাক্যের মাধ্যমে মনের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। এজন্য প্রয়োজন একাধিক বাক্যের। মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত বাক্যের সমষ্টিই অনুচ্ছেদ। অনুচ্ছেদে কোনো বিষয়ের একটি দিকের আলোচনা করা হয় এবং একটি মাত্র ভাব প্রকাশ পায়। অনুচ্ছেদ রচনার ক্ষেত্রে কয়েকটি দিকে লক্ষ রাখা প্রয়োজন। যেমন- 

  • একটি অনুচ্ছেদের মধ্যে একটি মাত্র ভাব প্রকাশ করতে হবে। অতিরিক্ত কোনো কথা লেখা যাবে না।
  • সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো বাক্যের মাধ্যমে বিষয় ও ভাব প্রকাশ করতে হবে। 
  • অনুচ্ছেদটি খুব বেশি বড় করা যাবে না। লিখতে হবে একটি মাত্র প্যারায়। কোনোভাবেই একাধিক প্যারা করা যাবে না।
  • একই কথার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • যে বিষয়ে অনুচ্ছেদটি রচনা করা হবে তার গুরুত্বপূর্ণ দিকটি সহজ-সরল ভাষায় সুন্দরভাবে তুলে ধরতে হবে। অনুচ্ছেদের বক্তব্যে যেন স্বয়ংসম্পূর্ণতা প্রকাশ পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বই পড়া

বই হলো জ্ঞানের আধার। জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই পড়া সর্বাপেক্ষা উত্তম কাজ। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জ্ঞান বই পড়ার মাধ্যমেই আমরা পেয়ে থাকি। মানুষের মেধা ও মননের বিকাশ সাধনের অন্যতম মাধ্যম হলো বই। সকল কালের এবং সকল দেশের ঘটনা লিপিবদ্ধ রয়েছে বইয়ের প্রতিটি পাতায়। মানুষের জীবন নিরবচ্ছিন্ন সুখের আধার নয়। প্রতি মুহূর্তে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত হওয়ায় নানা চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয় মানুষকে। নির্মল আনন্দের উৎস খুঁজে পাওয়া বিরল। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা সে নির্মল আনন্দের উৎসকে সহজেই খুঁজে পেতে পারি। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের বই পড়েই পাওয়া যায়। বই মানুষের সবচেয়ে উত্তম সঙ্গী। তবে বইয়ের পাতায় বিবৃত ইতিবাচক জ্ঞান তখনই মানুষ অর্জন করতে পারবে যখন সে একটি ভালো বই বেছে নেবে। বইয়ের নানা ধরন রয়েছে। বিশুদ্ধ জ্ঞান তখনই অর্জন করা যায় যখন সঠিক ও ভালো বইকে আমরা সঙ্গী হিসেবে বেছে নিই। বই আমাদেরকে নিঃস্বার্থভাবে উপকার করে। একটি বই কাল থেকে কালান্তরে জ্ঞান বিলিয়ে থাকে। মানুষকে স্বশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলে। বই পড়ার মাধ্যমে নির্মল জ্ঞানের সন্ধান করাই জ্ঞানী ব্যক্তির কাজ। তাই সঠিক জ্ঞান ও জীবনপথের সন্ধান পেতে হলে উত্তম বই পড়া আবশ্যক।

সত্যবাদিতা

প্রকৃত মানুষ হতে হলে যেসব নৈতিক গুণ থাকা আবশ্যক তার মধ্যে সত্যবাদিতা অন্যতম। সত্যবাদিতা একটি পবিত্র গুণ। যে ব্যক্তি সত্য কথা বলে তার পক্ষে অন্যায় কাজ করা অসম্ভব। সত্য বললে মানুষের জীবনযাপন অনেক সহজ হয়ে যায় এবং সে পাপ-পঙ্কিলতা থেকে দূরে থাকতে পারে। যে ব্যক্তি মিথ্যার আশ্রয় নেয় সে একটি চক্রে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। একটি মিথ্যা লুকানোর জন্য তাকে আরও অনেক মিথ্যা বলতে হয়। ফলে সে অনবরত নানা পাপকাজে লিপ্ত হয়। ইচ্ছা না থাকা সত্তে¡ও তাকে মিথ্যা বলতে হয়। কিন্তু জীবনকে সুখ ও শান্তিময় করে তুলতে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্য পথে থাকলেও নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয় মানুষকে। তবুও কোনো অবস্থাতেই সত্যের পথ ত্যাগ করা সমীচীন নয়। সত্যবাদিতা মানুষকে সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করতে সাহায্য করে। শত বাধার সম্মুখীন হয়েও যে ব্যক্তি সত্যকে অবলম্বন করে পথ চলে সে সকলের কাছে প্রিয় হয়। তার ইহকাল ও পরকাল উভয়ই সুখের হয়। সত্যবাদিতার সাহায্যে কঠিন থেকে কঠিনতর কাজও সহজে সমাধান করা যায়। তাই সব অবস্থাতেই সত্যবাদিতাকে আশ্রয় করা উচিত।

বিদ্যালয়ের শেষ দিন

বিদ্যালয়ের প্রথম দিন এবং শেষ দিন দুটোই আমার কাছে বেশ স্মৃতিময় ও আবেগপূর্ণ। বিদ্যালয়ের শেষ দিন আমার কাছে স্মৃতির ডালা হিসেবে ধরা দেয়। আমাদের এসএসসি পরীক্ষার দ্বারপ্রান্তে ছিলাম তখন আমরা। আমাদের নির্বাচনি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুদিন পরই ক্লাস বন্ধ হওয়ার ঘোষণা দিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ। তাই আমরা বিদ্যালয়ের শেষ দিনটি আনন্দের সাথে উদ্যাপন করার পরিকল্পনা করলাম। প্রথমেই আমরা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীরা শ্রেণিশিক্ষিকাকে সাথে নিয়ে কেক কাটলাম। আমাদের উদ্দেশে তিনি অনেক মূল্যবান উপদেশ দিলেন। এরপর আমাদের মধ্যে অনেকেই নিজের অনুভুতি ব্যক্ত করল। তার মধ্যে আমিও ছিলাম। দীর্ঘ সময় একই বিদ্যালয়ে কাটানোর পর ছেড়ে যেতে খুব কষ্ট লাগছিল। আমরা সব বিভাগের ছাত্রীরা মিলে একসাথে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত হলাম। সেখানে প্রধান শিক্ষিকা আমাদের উদ্দেশে অনেক কথা বললেন। এরপর আমরা বান্ধবীরা মিলে নাচ-গান করে বেশ হইচই করলাম। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আমাদের। এতদিনের সান্নিধ্যের ছন্দপতনের ভয়ে সবাই বিষণœ হলাম। পরক্ষণেই আমাদের আবেগ যেন বাঁধ ভেঙে দিয়ে অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়ল। সবাই সবার সাথে এক আত্মিক বন্ধন অনুভব করলাম। আমার প্রিয় শিক্ষিকসহ রেহানা ম্যাডামকে আমরা দিনে একটি ফুলের ডালি, কার্ড, কলম, ডায়েরি ইত্যাদি উপহার দিলাম। তাঁদের সাথে ছবিও তুলে নিলাম। আজও আমার কাছে বিদ্যালয়ের সেই শেষ দিনটি বিশেষভাবে ধরা দেয়। এদিনটির কথা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।

পহেলা ফাল্গুন

বসন্তের প্রথম দিন পহেলা ফাল্গুন হিসেবে পরিচিত। বাংলার ষড়ঋতু পরিক্রমায় সবার শেষে আসে ঋতুরাজ বসন্ত। ফাল্গুন ও চৈত্র, এ দুই মাস মিলে বসন্তকাল। শীতের শুষ্কতা আর জীর্ণতাকে ঘুচিয়ে নবীন আলোক বার্তা নিয়ে আসে ফাল্গুন। ১লা ফাল্গুন আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য দিন। এদিন সারাদেশে তারুণ্যের জোয়ার নামে। মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে সেজেগুজে বের হয়। মাথায় পরে রং-বেরঙের ফুলের মালা। ছেলেরাও পরে পাঞ্জাবি। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার, বিভিন্ন বয়সের মানুষ পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে বাইরে ঘুরতে বের হয়। পহেলা ফাল্গুনের উৎসব শহরেই বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ঢাকায়। চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এদিন বকুলতলায় বসন্ত উৎসব পালন করে। দেশীয় সংস্কৃতিকে ধারণ করে সারাদিন গান চলতে থাকে। এ উৎসব ছড়িয়ে যায় শাহবাগ, পাবলিক লাইব্রেরি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত। এদিন মানুষে মানুষে শুভেচ্ছা ও কুশলাদী বিনিময় হয়ে থাকে। পহেলা ফাল্গুন আমাদের উৎসব ও ঐতিহ্যপ্রিয়তারই অনন্য নিদর্শন। বাঙালির জীবনে পহেলা ফাল্গুনের গুরুত্ব তাই অপরিসীম। এটি বাঙালির সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ সংস্কৃতির চেতনা আমাদের ধারণ ও লালন করতে হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত আলোচিত একটি বিষয়। উন্নত দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এটি একটি সময়োচিত পদক্ষেপ। ডিজিটাল বাংলাদেশ কী, এ বিষয়কে বুঝতে হলে প্রথমেই আমাদের জানতে হবে একটি দেশ কীভাবে ডিজিটাল দেশে পরিণত হতে পারে। একটি দেশকে তখনই ডিজিটাল দেশ বলা যাবে যখন তা ই-স্টেটে পরিণত হবে। অর্থাৎ ওই দেশের যাবতীয় কাজ যেমনÑ সরকারব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি প্রভৃতি কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তাই একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয়। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। ২০২১ সালে পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। সেই লক্ষ্যে এ সময়ের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সাধারণভাবে বলতে গেলে একটি ডিজিটাল সমাজ নিশ্চিত করবে জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সমস্ত কর্মকাণ্ডে অনলাইন প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত হবে। কার্যকর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি সুশাসিত সমাজব্যবস্থা নিশ্চিত করাই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এক্ষেত্রে সবার আগে প্রয়োজন একটি শক্তিশালী তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামো গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ঘাটতির সমাধান, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কাঠামোর উন্নয়ন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রশিক্ষণ, ইংরেজি শিক্ষার ব্যবহারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশ্বায়ন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি দ্রুত প্রসারের ফলে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে ডিজিটাল উন্নয়নের চলমান প্রক্রিয়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামক প্রকল্পের সাথে সাধারণ মানুষের যোগসূত্র তৈরি করতে হবে। তবেই উন্নত, আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের এই স্বপ্ন পূরণ হবে। 

সততা

সততা মানবচরিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গুণ। সর্বদা সত্য কথা বলা, সৎপথে চলা এবং কোনো অন্যায় কাজে লিপ্ত না হওয়ার নামই সততা। এক কথায় সত্যের অনুসারী মানুষের সৎ থাকার গুণকে সততা বলা হয়। এই গুণ অর্জনের চেষ্টা ও চর্চা একজন মানুষকে পৌঁছে দিতে পারে মর্যাদা ও গৌরবের আসনে। নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলস অনুশীলনের মাধ্যমে এই গুণ অর্জন করা যায়। আর এই গুণ যিনি অর্জন করতে পারেন তিনিই সমাজে আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে থাকেন। সততাকে তাই মানবচরিত্রের অলংকার বলা হয়। সততার সুফল শত ধারায় বিকশিত। জীবনকে সুন্দর, সফল ও সার্থক করার জন্য সৎ থাকার অভ্যাস করতে হয়। সৎগুণসম্পন্ন মানুষ কখনোই অন্যায় ও অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকতে পারে না। সৎ লোক মাত্রই চরিত্রবান ও মহৎ হয়ে থাকে। তাই সে সবার বিশ্বাসভাজন ও শ্রদ্ধেয় হয়। সততা মানুষের নৈতিকতাকে সমুন্নত করে। সৎ ব্যক্তি কখনোই অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। একটি সমৃদ্ধ ও আদর্শ জীবন গড়ার জন্য সততার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের উচিত ছাত্রজীবন থেকেই সৎ গুণগুলো অনুশীলন করা। তাহলেই তারা পরিবার ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করতে পারবে। 

দুর্নীতি

জাতীয় জীবনে উন্নতির অন্যতম অন্তরায় দুর্নীতি। আমাদের জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রকোষ্ঠে দুর্নীতি এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে, আজকাল একে এড়িয়ে আমাদের চলাই দায়। অফিস-আদালতে, পেশায়-নেশায়, ঘরে-বাইরে, রাজনীতি কিংবা ধর্মনীতি সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির সর্বগ্রাসী প্রভাব বিদ্যমান। দুর্নীতি যেন সভ্য সমাজে স্বাভাবিক বিষয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর পর বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দুর্নীতির কারণে বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাহত হচ্ছে, সাহায্যের হাতও গুটিয়ে নিচ্ছে ধনী দেশগুলো। দুর্নীতির অবাধ বিস্তার সামাজিক ক্ষেত্রে নব্য ধনিকশ্রেণির সৃষ্টি করছে, জন্ম দিচ্ছে নানামুখী বৈষম্য। সন্ত্রাস নামক যে ভয়ংকর দানব সমাজকে নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে তার পেছনেও রয়েছে দুর্নীতির প্রভাব। দুর্নীতি জন্ম দিয়েছে মূল্যবোধহীনতা, যা সমাজকে অবক্ষয়ের অতলে ডুবিয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্নীতি এক দুরারোগ্য ব্যাধি, দুর্বিষহ অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। এর করাল গ্রাসে জাতীয় উন্নতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হচ্ছে। দেশের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। স্বনির্ভর জাতি গড়ে তোলার জন্য দুর্নীতি নামক এই অভিশাপকে রুখতে হবে এখনই। সকলের সম্মিলিত অঙ্গীকারই পারে এর প্রভাব কমিয়ে আনতে। 


#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !