ফাতিহা, কুলখানী, চেহেলাম এর প্রমাণ (Evidence of Fatiha, Kulkhani, Chehlam)
ফাতিহা, কুলখানী, চেহেলাম এর প্রমাণ (Evidence of Fatiha, Kulkhani, Chehlam)
দৈহিক ও আর্থিক ইবাদতের ছওয়াব অন্য মুসলমানকে দান করা জায়েয এবং এটা ফলপ্রসূও হয়। কুরআন হাদীছও ফকীহগণের উক্তি থেকে এর প্রমাণ মিলে। কুরআন করীম মুসলমানদেরকে একে অপরের জন্য দুআ করা নির্দেশ দিয়েছেন। জানাযার নামায এজন্যই আদায় করা হয় মিশকাত শরীফের فضل الصدقة শীর্ষক অধ্যায়ে আছে, হযরত সা’আদ (রাঃ) একটি কূপ খনন করে বলেছিলেন هَذِهِ لِاَمِّسَعْدٍ এটা সা’আদের মায়ের নামে উৎসর্গীত হল। ফকীহগণও ঈসালে ছওয়াবের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে দৈহিক ইবাদতের ক্ষেত্রে পরনীর্ভরশীলতা নাজায়েয। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি অপরের বদলে নামায পড়লে, নামায আদায় হবে না। অবশ্য নামাযের ছওয়াব দান করা যেতে পারে। মিশকাত শরীফে باب الفتن الملا حم এর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে বর্ণনা আছে হযরত আবু হুরাই (রাঃ) কাউকে বলেছিলেন- مَنْ يَضْمِنُ لِىْ مِنْكُمْ اَنْ يُّصَلِّى فِىْ مَسْجِدِ الْعَشَا رَكْعَتَيْنِ وَيَقَوْلُ هَذِهِ لِاَبِىْ هَرَيْرَةَ আমার পক্ষ হয়ে মসজিদে আশারে দু’রাকআত নামায পড়ার দায়িত্ব আপনাদের মধ্যে কে নিবেন? এবং কে বলবেন, এর ছওয়াব আবু হুরাইরার নামের উৎসর্গিত? এর থেকে তিনটি মাসায়েল জানা গেল এক, দৈহিক ইবাদত অর্থাৎ নামাযও কারো ঈসালে ছওয়াবের নিয়তে আদায় ক…